• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Photo

ক্যানসারে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন শহীদুল, বাবাকে বাঁচাতে তিন সন্তানের আকুতি


FavIcon
Saiful Isalm
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 21, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: মোঃ সাইফুল ইসলাম Photo

ক্যানসারে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন শহীদুল, বাবাকে বাঁচাতে তিন সন্তানের আকুতি

মোঃ সাইফুল ইসলাম, আনোয়ারা (চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব হাইলধর মাইজপাড়ার বাসিন্দা মোঃ শহীদুল আলম (৩৮) দীর্ঘ ৬–৭ বছর ধরে কোলন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছেন। পেশায় অটোচালক শহীদুলের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে নিজের সহায়-সম্বল ও জমানো অর্থ। আত্মীয়-স্বজন ও বিভিন্ন মানুষের সহযোগিতায় এ পর্যন্ত চিকিৎসায় প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। শহীদুল আলম নুর মোহাম্মদ (প্রকাশ জুনু মিয়া) ও আনোয়ারা বেগমের ছেলে। বর্তমানে অসুস্থতার কারণে তিনি অটো চালিয়ে আয় করতে পারছেন না। ফলে একদিকে নিজের চিকিৎসার ব্যয়, অন্যদিকে স্ত্রী ও তিন সন্তানের ভরণপোষণ-সব মিলিয়ে পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী শহীদুলের চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে আরও প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন। নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ, ওষুধপত্র, হাসপাতালে যাতায়াতসহ চিকিৎসাসংক্রান্ত বিভিন্ন ব্যয় বহন করা পরিবারের পক্ষে এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। একসময় অটো চালিয়ে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতেন শহীদুল। নিজের চিকিৎসার পাশাপাশি সন্তানদের দেখাশোনার দায়িত্বও পালন করতেন তিনি। কিন্তু দীর্ঘদিনের অসুস্থতায় এখন কর্মক্ষমতা হারিয়ে ঘরেই থাকতে হচ্ছে তাকে। তিন সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বিগ্ন পরিবারটি। শহীদুলের পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় সামর্থ্যের প্রায় সবটুকু ব্যয় হয়ে গেছে। এখন মানুষের সহযোগিতা ছাড়া চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই আনোয়ারাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার সামর্থ্যবান ব্যক্তি, প্রবাসী ও হৃদয়বান মানুষের কাছে চিকিৎসার জন্য সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন তারা।
চিকিৎসায় সহযোগিতা পাঠানোর তথ্য-
বিকাশ/নগদ (পার্সোনাল):
📱 ০১৮২৩৮৪১৩৯১
নাম: শহীদুল আলম
ব্যাংক: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
হিসাবের নাম: SHAHIDUL ALAM
হিসাব নম্বর: ২০৫০৮২৯০২০০১৬২০১৬
শাখা/উপশাখা: আনোয়ারা সদর উপশাখা, চট্টগ্রাম
রাউটিং নম্বর: ১২৫১৫০৫২৭
পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতে না পারলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শহীদুলের চিকিৎসা সহায়তার আবেদনটি ছড়িয়ে দিতে। তাদের প্রত্যাশা, সম্মিলিত সহযোগিতায় চিকিৎসা চালিয়ে তিন সন্তানের বাবাকে সুস্থতার পথে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। একটি সহযোগিতা, একটি শেয়ার-হতে পারে শহীদুলের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার নতুন আশার কারণ।