সংহতির রাজনীতি থেকে রাষ্ট্র-পুনর্গঠনঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদৃষ্টি ও অসমাপ্ত সংলাপ
Saiful Isalm
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 5, 2026 ইং
সংহতির রাজনীতি থেকে রাষ্ট্র-পুনর্গঠনঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদৃষ্টি ও অসমাপ্ত সংলাপ
প্রবাসী নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রাম
প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান
উপাচার্য, দারুস সালাম বিশ্ববিদ্যালয়, সোমালিয়া; অপরাধবিজ্ঞান, সুশাসন ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ।
একটি জাতির পুনর্জন্মের সন্ধিক্ষণ
প্রতিটি জাতির ইতিহাসেই এমন কিছু দিন আসে, যা কেবল ক্যালেন্ডারের পাতায় একটি সংখ্যায় সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং সেগুলো হয়ে ওঠে জাতীয় স্মৃতি, রাজনৈতিক পুনর্গঠন এবং সামষ্টিক আত্মপরিচয়ের এক একটি দীপ্ত সন্ধিবিন্দু। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে ঠিক তেমনই একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এক গভীর রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রাতিষ্ঠানিক শূন্যতা ও সার্বভৌমত্বহীনতার শঙ্কা যখন গোটা রাষ্ট্রকে গ্রাস করতে উদ্যত হয়েছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে সেনা-জনতার ঐতিহাসিক সংহতি এক অপ্রতিরোধ্য রক্ষাকবচ হিসেবে আবির্ভূত হয়।
এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি কেবল একজন সামরিক কমান্ডার বা একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতাই ছিলেন না; তিনি ছিলেন একাধারে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম রূপকার, যুদ্ধোত্তর বিধ্বস্ত রাষ্ট্র-পুনর্গঠনের তীক্ষ্ণ কারিগর এবং আঞ্চলিক কূটনীতির এক দূরদর্শী প্রবক্তা। ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্ব যখন আত্মগোপনে বা দ্বিধাদ্বন্দ্বে নিমজ্জিত, তখন তাঁর কণ্ঠে উচ্চারিত স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ঘোষণা পরাধীন জাতির মনে আত্মবিশ্বাসের বীজ বপন করে এবং মুক্তিযুদ্ধের মূল স্রোতকে সুসংহত ও বেগবান করে তোলে।
৭ নভেম্বর: বিভাজন ও অন্ধকারের বিরুদ্ধে সংহতির ঐতিহাসিক পাঠ
৭ নভেম্বরের তাৎপর্যের গভীরে প্রবেশ করতে হলে ১৯৭৫ সালের প্রথমার্ধের কঠিন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতাকে অবলোকন করতে হবে। স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি, নব্য স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা এবং রাজনৈতিক হানাহানি বাংলাদেশকে এক গভীর খাদের কিনারায় দাঁড় করিয়েছিল। এই পটভূমিতে ৭ নভেম্বরের গণ-অভ্যুত্থান ও সংহতি কোনো আকস্মিক বিষয় ছিল না; বরং তা ছিল রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখার এক অনিবার্য তাগিদ।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সুশাসনের তত্ত্ব অনুযায়ী, একটি নবগঠিত বা সংকটপীড়িত রাষ্ট্রের টেকসই ভবিষ্যৎ প্রধানত তিনটি মৌলিক স্তম্ভের ওপর নির্ভর করে: ১. সার্বভৌমত্বের প্রতিরক্ষা ও ভূ-রাজনৈতিক নিরাপত্তা, ২. প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা বৃদ্ধি ও আইনের শাসন, এবং ৩. জনগণের সঙ্গে রাষ্ট্রের বিশ্বাসযোগ্য ও আস্থার সম্পর্ক স্থাপন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতার দায়িত্ব গ্রহণের পর এই ত্রিভুজাকার চ্যালেঞ্জগুলোকেই অত্যন্ত সুনিপুণভাবে মোকাবিলা করেছিলেন। তাঁর নেতৃত্ব কেবল ক্ষমতা কুক্ষিগত করার রাজনীতি ছিল না, বরং তা ছিল একটি ভঙ্গুর রাষ্ট্রকে কার্যক্ষম ও আত্মনির্ভরশীল রাষ্ট্রে রূপান্তর করার নিরলস প্রয়াস।
অর্থনৈতিক পুনর্গঠন: রাষ্ট্রনির্ভরতা থেকে বাজারভিত্তিক মুক্ত অর্থনীতির সূচনা
বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর শাসনামলের অন্যতম যুগান্তকারী অবদান হলো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দর্শনে এক আমূল পরিবর্তন আনা। ১৯৭৫-পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির স্থবিরতা ও সীমাবদ্ধতা যখন প্রকট হয়ে ওঠে, তখন তিনি সাহসের সঙ্গে মুক্তবাজার অর্থনীতি, বেসরকারি খাতের বিকাশ এবং বৈদেশিক বিনিয়োগকে স্বাগত জানান।
শিল্পায়ন ও বিনিয়োগনীতি: ১৯৭৫ সালের ডিসেম্বরে ঘোষিত নতুন শিল্প নীতিতে বেসরকারি খাতের সর্বোচ্চ বিনিয়োগসীমা বৃদ্ধি, ভারী শিল্পে বেসরকারি পুঁজি বিনিয়োগের পথ উন্মুক্তকরণ এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে পুনরায় সক্রিয় করার মতো ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ ও গবেষকদের মতে, এই সাহসী নীতিই পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প এবং বেসরকারি খাতের রমরমা বৃদ্ধির মূল ভিত্তি রচনা করেছিল।
কাঠামোগত রূপান্তর: ১৯৭৫ থেকে ১৯৮২ সালের এই কালখণ্ডে বাংলাদেশ একটি অনুৎপাদনশীল রাষ্ট্রখাতনির্ভর অর্থনীতি থেকে গতিশীল ও উদ্যোক্তা-ভিত্তিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের পথে যাত্রা করে, যা দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
কৃষি বিপ্লব ও খাদ্যনিরাপত্তার আধুনিক স্থাপত্য
কৃষিনির্ভর বাংলাদেশে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জাতীয় নিরাপত্তার সমতুল্য বলে মনে করতেন। তাঁর চিন্তায় কৃষি কেবল গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম ছিল না, বরং এটি ছিল অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনের মূল চাবিকাঠি।
খাল খনন ও পানি ব্যবস্থাপনা: তাঁর সরাসরি তত্ত্বাবধানে দেশব্যাপী প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি খাল খনন ও পুনঃখনন করা হয়, যা সেচ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটায়। ফলশ্রুতিতে, ১৯৭৬-৭৭ ও ১৯৭৭-৮১ অর্থবছরে বাংলাদেশ খাদ্যশস্য উৎপাদনে যুগান্তকারী রেকর্ড গড়ে।
মূল্য সংযোজন ও সংগ্রহ নীতি: ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে সরকার সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান-চাল ক্রয়ের যুগান্তকারী নীতি গ্রহণ করে, যার মাধ্যমে প্রায় ১.০৩ মিলিয়ন মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সরকারিভাবে সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। এই কার্যকর সংগ্রহ ব্যবস্থা পরবর্তীকালে বাংলাদেশের জাতীয় খাদ্য মজুদ ও বাজার ব্যবস্থাপনার প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়।
স্থানীয় সরকার ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি
সুশাসন ও বিকেন্দ্রীকরণের তাত্ত্বিক মডেলে স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতার হস্তান্তর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান উপলব্ধি করেছিলেন যে, সেন্ট্রালাইজড বা কেন্দ্রমুখী শাসনব্যবস্থা দিয়ে বিশাল গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়ন সম্ভব নয়।
গ্রাম সরকার ও ভিডিপি: এই উপলব্ধি থেকেই তিনি 'গ্রাম সরকার' ব্যবস্থা এবং 'গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী' (ভিডিপি) প্রবর্তন করেন। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল গ্রামীণ পর্যায়ে নেতৃত্ব তৈরি, স্থানীয় নিরাপত্তা জোরদার করা এবং সাধারণ মানুষকে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রক্রিয়ায় সরাসরি সম্পৃক্ত করা।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ভেদ করে তৃণমূল পর্যায়ে রাষ্ট্রকে পৌঁছে দেওয়ার এটি ছিল এক দূরদর্শী প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়াস।
বহুদলীয় গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক বহুত্ববাদ
১৯৭৫-পরবর্তী রাজনৈতিক শূন্যতা দূর করে দেশে গণতান্ত্রিক ধারা ফিরিয়ে আনতে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এক অনন্য রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় দেন। তিনি একদলীয় শৃঙ্খল ভেঙে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তন করেন, যা রাজনৈতিক দলগুলোর মুক্ত বিকাশ ও জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার পথ সুগম করেছিল।
গণতান্ত্রিক তত্ত্ব অনুযায়ী, বহুদলীয় কাঠামো, স্বাধীন সংবাদমাধ্যম এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন একটি আধুনিক রাষ্ট্রের প্রাণশক্তি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দর্শন সমাজে ভিন্নমতের প্রতি সহনশীলতা এবং রাজনৈতিক বহুত্ববাদের এক নতুন সংস্কৃতির জন্ম দিয়েছিল।
কূটনীতির দিগন্ত প্রসার: সার্ক (SAARC) এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা
জাতীয় সীমানার গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে দূরদর্শিতা দেখিয়েছেন, তা তাঁকে বিশ্বমঞ্চে একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তিনি ১৯৮০ সালের মে মাসে সর্বপ্রথম একটি আঞ্চলিক জোট গঠনের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তাঁর এই কূটনৈতিক চিন্তার ফলেই পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালে ঢাকায় সার্ক (SAARC)-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জিয়াউর রহমানের এই আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কূটনীতি দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে এক যুগান্তকারী মোড় পরিবর্তন করেছিল।
আন্তর্জাতিক প্রখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সংবাদমাধ্যম যেমন The Daily Star-এর বিভিন্ন বিশ্লেষণেও বারবার উঠে এসেছে যে, মুসলিম বিশ্বের সংহতি বৃদ্ধি এবং দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে এনে সম্মিলিত উন্নয়নের স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন এই মহান নেতা।
অতীতে উপেক্ষিত কিছু ঐতিহাসিক মূল্যায়ন
ইতিহাসের নিরপেক্ষ পাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর শাসনামলের কিছু দিক অতীতে রাজনৈতিক সংকীর্ণতার কারণে পর্যাপ্ত আলো পায়নি:
সামাজিক ন্যায়বিচার ও বাজার অর্থনীতি: বাজার অর্থনীতির সুবিধাগুলো সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর জন্য যেসব সমতাভিত্তিক প্রাতিষ্ঠানিক সেফটি নেট প্রয়োজন ছিল, তা আরও সুসংহত হতে পারত।
কৃষি ও স্থানীয় সরকারের দীর্ঘমেয়াদী মূল্যায়ন: খাল খনন ও গ্রাম সরকারের মতো যুগান্তকারী উদ্যোগগুলোর বিজ্ঞানভিত্তিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ইমপ্যাক্ট অ্যানালাইসিস পরবর্তীতে আরও বিস্তৃত পরিসরে হওয়া উচিত ছিল।
কূটনৈতিক বহুমুখিতা: বৈশ্বিক স্নায়ুযুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM) ও মুসলিম বিশ্বের মাঝে ভারসাম্য বজায় রেখে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতিকে যেভাবে তিনি উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন, তা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পাঠে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সুতরাং, ৭ নভেম্বরের চেতনা কেবল একটি ঐতিহাসিক অধ্যায় নয়; এটি হলো একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রে জনগণের আত্মমর্যাদা, জাতীয় সংহতি এবং স্বাবলম্বিতা অর্জনের চিরন্তন বার্তা। বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তাঁর কর্মে, ত্যাগে এবং দূরদর্শী চিন্তাধারায় প্রমাণ করেছিলেন যে, একটি জাতিকে এগিয়ে নিতে হলে কেবল স্লোগান নয়, প্রয়োজন ইস্পতকঠিন শৃঙ্খলা, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং সুদূর প্রসারী কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি।
আজকের বাংলাদেশ যখন নতুন করে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব এবং রাজনৈতিক সংহতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে, তখন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর রাষ্ট্রদর্শন ও কর্মপদ্ধতি আমাদের জন্য এক আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করতে পারে। তাঁর জীবন ও আদর্শ কেবল ইতিহাসের পাতায় বন্দি রাখার বিষয় নয়, বরং বর্তমান ও ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র-গঠনের এক অনুপম ও কার্যকর দিকনির্দেশনা।
লেখকঃ প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান
উপাচার্য, দারুস সালাম বিশ্ববিদ্যালয়, সোমালিয়া; অপরাধবিজ্ঞান, সুশাসন ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ।
আপনার মতামত লিখুন :